
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ ও পঞ্চগড়-২ আসনে মোট ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে, আর ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান এই তথ্য জানান।
পঞ্চগড়-১ আসন:
এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। তারা হলেন—
- বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির
- এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের হয়ে শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলম
- বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী ফেরদৌস আলম
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম
- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ বাদশা
- গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মাহাফুজার রহমান
- বাংলাদেম জাসদের প্রার্থী নাজমুল হক প্রধান
ত্রুটি থাকায় একমাত্র প্রার্থী জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) প্রার্থী আল রাশেদ প্রধানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
পঞ্চগড়-২ আসন:
এ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। তারা হলেন—
- বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয় সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ
- জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সফিউল আলম
- ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামরুল হাসান প্রধান
- বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী এমরান আল আমিন
- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন
ত্রুটি থাকায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে—
- জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) প্রার্থী আল রাশেদ প্রধান
- স্বতন্ত্র প্রার্থী রহিমুল ইসলাম বুলবুল
- স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন সুমন
- লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রার্থী রেজাউল ইসলাম
- জাতীয় পার্টির প্রার্থী লুৎফর রহমান রিপন
- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আশরাফুল আলম
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, “পঞ্চগড়ের দুই আসনে ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৭ জনের মনোনয়নপত্র ত্রুটি থাকায় বাতিল করা হয়েছে। আগামী ২১ জানুয়ারি বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে, এরপর তারা নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন। এছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকল আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য (0)
প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।