যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকির লুইসভিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেওয়ার পরপরই একটি কার্গো বিমান ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে অন্তত সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বিমানটিতে ছিল প্রায় ৩৮ হাজার গ্যালন জ্বালানি।

ফেডারেল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (এফএএ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার কিছু পর ইউপিএসের কার্গো ফ্লাইট ২৯৭৬ দুর্ঘটনায় পড়ে। লুইসভিল মোহাম্মদ আলী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাওয়াইয়ের হনলুলুর উদ্দেশে যাত্রা করেছিল আকাশযানটি।

কেন্টাকির গভর্নর অ্যান্ডি বিশিয়ার প্রথমে তিনজনের মৃত্যুর কথা জানান। পরে তিনি নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে সাতজন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন। আরও অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর—ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিমানটি ছিল ম্যাকডোনেল ডগলাস এমডি–১১ মডেলের, যা ১৯৯১ সালে থাই এয়ারওয়েজে প্রথম যুক্ত হয় এবং ২০০৬ সালে ইউপিএসের কার্গো পরিবহনে রূপান্তরিত হয়। ইউপিএস জানিয়েছে, বিমানে তিনজন ক্রু ছিলেন এবং তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।

দুর্ঘটনার পরপরই লুইসভিল বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, বিমানে থাকা বিপুল পরিমাণ জ্বালানির কারণে এখনো আগুন জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং আশপাশের মানুষকে এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে।

লুইসভিলের মেয়র ক্রেইগ গ্রিনবার্গ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “এটা এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি—যা আমরা কখনো ভুলতে পারব না।”