সিলেটে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডের পর সন্দেহজনক হিসেবে তাঁর এক ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ।

দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই নিহতের ছেলেকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি পারিবারিক কোনো বিরোধ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, নিহতের বুক, পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে আবদুর রাজ্জাকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাঁকে দেখতে পান এবং পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিহত আবদুর রাজ্জাক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের তেলিরাই গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজের পর তিনি বাসার ছাদে হাঁটতে যান। পরে সকাল ৯টার দিকে গৃহকর্মী তাঁকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং তৃতীয় তলার সিঁড়ির পাশে একটি কক্ষে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ পাওয়া যায়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ভোর সাড়ে ৬টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।