
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসান মাসুদ ইস্কেমিক স্ট্রোক এবং মাইল্ড হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিউরোলজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। সাধারণত এমন রোগীদের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, এরপর পরবর্তী চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে।
হাসান মাসুদ এক সময় দর্শকপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, তবে পরে নিজেকে বিনোদন অঙ্গন থেকে সরিয়ে নেন। বর্তমানে তার পর্দায় উপস্থিতি খুবই সীমিত। সম্প্রতি হানিয়া আমিরকে নিয়ে মন্তব্যের পর তিনি জানান, অভিনয়ে ফিরে আসার ইচ্ছা নেই, বরং চাকরি করতে চান। অসুস্থ হওয়ার আগে তিনি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, “আমি এখন একটি জব খুঁজছি। জব পেলেই কাজ শুরু করব, সেটা সাংবাদিকতা হোক বা প্রশাসনিক কাজ।”
অভিনেতা জানান, সাংবাদিকতায় ফেরার ইচ্ছে রয়েছে, যদি উপযুক্ত সুযোগ আসে।
হাসান মাসুদ ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে ক্যাপ্টেন পদ থেকে ৭ বছরের মধ্যেই অবসর নেন। এরপর ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বিবিসির বাংলা বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
সাংবাদিকতা ছাড়ার পর মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ব্যাচেলর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বিনোদন অঙ্গনে প্রবেশ করেন। পরে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সিনেমায় অভিনয় করেন এবং টেলিভিশন নাটকেও কাজ শুরু করেন। উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘হাউসফুল’, ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’, ‘এফডিসি’, ‘বউ’, ‘খুনসুটি’, ‘গ্র্যাজুয়েট’, ‘রঙের দুনিয়া’, ‘আমাদের সংসার’, ‘গণি সাহেবের শেষ কিছুদিন’, ‘বাতাসের ঘর’ ও ‘প্রভাতী সবুজ সংঘ’।
মন্তব্য (0)
প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।