সাবিকুন নাহার লিখেছেন, আবু ত্বহার সঙ্গে আলাদা হয়ে কীভাবে পুনরায় একসঙ্গে হলেন, তা নিয়ে তিনি লিখেছেন,

“দুনিয়াটা ক্ষণস্থায়ী। পুরোদস্তুর ধোঁকা, নিখাঁদ প্রতারণা। এই দুনিয়ায় কতদিনই বাঁচব? চিরস্থায়ী জান্নাতের সাফল্যই প্রকৃত।”

তিনি বাচ্চাদের অনুভূতির কথাও জানিয়েছেন। আয়িশা প্রতিনিয়ত বাবাকে খোঁজে—“বাবা যাবো! বাবা গাড়ি! বাবা কোথায়?” উসমানও মাকে পাচ্ছে না, আর অন্যরা মাকে “আম্মু” বলে ডাকছে। এ পরিস্থিতি তার কাছে বোঝার চেষ্টা করছে।

বিচ্ছেদ ও পুনর্মিলনের প্রসঙ্গে সাবিকুন নাহার বলেন, যা ঘটেছে তা অনিবার্য ছিল, তবে জানা আর উপলব্ধি এক নয়। ভুল-ত্রুটি ও সীমালঙ্ঘন হয়েছে, তবে সবকিছুর মধ্যেও তারা শিক্ষা পেয়েছেন।

তিনি যোগ করেছেন, “হয়তো এভাবেই আমাদের ভাগ্য লেখা হয়েছিল। তাকদিরের কাছে অনেক বড়রাও অসহায়। তবে চাঁদ—আমার চাঁদ—আজও অনন্ত সুন্দর। দুরাচার শয়তান যেকোনো বাঁধা দিলেও আল্লাহর অনুগ্রহে আমরা সঠিক পথে ফিরে এসেছি।”

শেষে তিনি লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ, উসমান ও আয়িশা আবার তাদের বাবা-মাকে ফিরে পেয়েছে।

https://www.facebook.com/share/p/1Axe9VwMRb

তিনি আরো বলেন-

"আমাদের মাঝে চিরস্থায়ী ৩ তালাক বায়েন হয়নি, স্ত্রী কর্তৃক খুলা তালাক হয়েছিল। যেখানে উভয়ের সম্মতিতে যে কোন সময় নতুন বিবাহের মাধ্যমে সংসার শুরু করার সুযোগ থাকে!

সেটাই হয়েছে।

ওয়ামা আ'লাইনা ইল্লাল বা'লাগ।"