
অবৈধভাবে ইসরায়েলে প্রবেশ করা দুই ফিলিস্তিনিকে কাজ দেওয়ার দায়ে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ জুলাই) পুলিশের একটি দল ক্যাফেটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং শাটার নামিয়ে সেখানে সিলগালার নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষেও শাস্তিমূলক বার্তা হিসেবে কার্যকর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, যেসব ফিলিস্তিনি কাজ করছিলেন তারা পশ্চিম তীর থেকে অবৈধভাবে ইসরায়েলে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের একজন হেব্রনের এবং অপরজন বেইত উলার বাসিন্দা। বয়স মাত্র ২০ বছর। তারা স্বল্প বেতনে ক্যাফেতে নিয়োগ পান।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুলাই একটি তল্লাশি অভিযানে এই দুই তরুণকে শনাক্ত করে তারা। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়-দায়িত্ব খতিয়ে দেখা হয়।
তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে এবং পরে ক্যাফেটি সিলগালার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ৩০ দিনের আগে কোনোভাবেই ক্যাফে চালু করা যাবে না। যদি কেউ নিষেধ অমান্য করে, তাহলে নেওয়া হবে কড়া আইনগত ব্যবস্থা। পাশাপাশি, অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের তথ্য থাকলে তা দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।