
দূর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান (এমআর হাসান) পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা পরে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান।
বিচারপতির বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছিল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে। ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর বনানী ইউ লুপে ট্রাফিক সার্জেন্ট মহুয়ার বাবা মনোরঞ্জন হাজমকে গাড়ি চাপা দিয়েছিলেন বিচারপতি রেজাউল হাসানের ছেলে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হলেও পুলিশ তখন মামলা নেয়নি। অভিযোগ ছিল, বিচারপতি এমআর হাসান প্রভাব খাটিয়ে থানা পুলিশকে ফোন করে ছেলেকে আসামি না করার চাপ দেন এবং মামলা থেকে অব্যাহতি নেন।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে এমআর হাসান কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রায় পাল্টে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।
২০২৩ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সুপ্রিম কোর্টের কিছু বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হয়, যার মধ্যে এমআর হাসানও ছিলেন। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায় এবং তাকে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটেই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।