মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে শীত।

image 380

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শীত জেঁকে বসেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা— ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস— রেকর্ড করা হয়েছে।

চা-বাগান, হাওর ও পাহাড়বেষ্টিত এলাকা হওয়ায় ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা, শিশির আর কনকনে ঠান্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে শীত আরও তীব্র হয়ে ওঠে। শ্রীমঙ্গলের স্টেশন এলাকা ও চা শ্রমিক অধ্যুষিত অঞ্চলে শীতের পোশাকের চাহিদা চোখে পড়ার মতো বেড়েছে।

সকালে কুয়াশা ঘন থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো ফুটে ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে।

এদিকে নতুন ধান ঘরে ওঠায় গ্রামীণ জনপদে নবান্ন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন ধানের সুগন্ধ আর নানা রকম পিঠা-পুলি তৈরি নিয়ে শহর ও গ্রামে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সন্ধ্যার পর পিঠার দোকানগুলোতে বাড়ছে ভিড়।

কনকনে ঠান্ডা সত্ত্বেও চা-শ্রমিক, রিকশাচালক, ভ্যানচালকসহ শ্রমজীবী মানুষেরা ভোর থেকেই জীবিকার টানে কাজে বের হচ্ছেন। রিকশাচালক ওসমান ও কৃষক আকরম আলী জানান, রোদের দেখা মেলায় সকালগুলোতে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে।

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও হাঁপানির মতো শীতজনিত রোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সংখ্যা গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক দিলীপ বৈষ্ণব জানান, ভোর ৬টা এবং সকাল ৯টায় উভয় সময়েই তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।