দাদাগিরি নয়, ভারতের সঙ্গে আন্তরিক বন্ধুত্ব চায় বিএনপি: মির্জা ফখরুল

image 208

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দাদাগিরির ভিত্তিতে নয়, বরং বন্ধুত্বপূর্ণ হোক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে বিএনপি আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায়।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে সময় সংবাদকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ইতিহাসের অন্যতম সংকটময় সময় পার করছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন দুই দেশের টানাপোড়েন নিয়ে সরব আলোচনা চলছে। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে মির্জা ফখরুলও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন।

সাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের নীতির কারণেই ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তিনি বলেন, “ভারত আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করেছে। ভোটারবিহীন প্রতিটি নির্বাচনে তারা সমর্থন দিয়েছে। এতে ভারতেরও ক্ষতি হয়েছে, আওয়ামী লীগেরও ক্ষতি হয়েছে। ষড়যন্ত্রের পথে গেলে এর ফল খারাপই হয়।”

মির্জা ফখরুল মনে করেন, সম্পর্কের টানাপোড়েন দূর করতে ভারতকেই উদ্যোগ নিতে হবে। তার ভাষায়, “এটা নির্ভর করছে ভারতের ওপর। তারা যদি বড় দাদা না হয়ে সত্যিকারের বন্ধু হতে চায়, তাহলেই সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, “ভারতসহ সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায় বিএনপি। এজন্য আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। আমরা বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ রাখছি। ভারতের সঙ্গেও আমাদের একসময় সুসম্পর্ক ছিল। এখন নির্ভর করছে তারা কতটা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে আসবে।”

বর্ষীয়ান এ নেতা জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চায় না বিএনপি।