
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ক্ষমতার দাপটে নানা অনিয়মের মাধ্যমে ২০২৩ সালে ‘লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর অনুমোদন নিয়েছিলেন। প্রথমে কুষ্টিয়া হাউজিং স্টেটের একটি বাড়ির ঠিকানায় অনুমোদন নিলেও পরে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ মার্কেটের সপ্তম ও অষ্টম তলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করা হয়। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের সময় হানিফ ভারতে পালিয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ থেমে যায়।
পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ট্রাস্টি বোর্ড পরিবর্তন করে হানিফের আস্থাভাজন হালিমুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করা হয়। এ সময় হানিফ ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলম পদত্যাগ করেন। নতুন কাঠামোয় বিশ্ববিদ্যালয়টি পুনরায় কার্যক্রম শুরু করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি কার্যক্রম চালু হয়। ইতিমধ্যে পাঁচটি বিভাগে শিক্ষক-কর্মকর্তা মিলিয়ে ৬০ জনের বেশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং জুলাইয়ের মধ্যে ১০১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন।
তবে শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ও ভবন ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতার প্রভাবে ভবনের ডিজাইন পরিবর্তন করে অবৈধভাবে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে কর্তৃপক্ষ বলছে, হানিফের সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক নেই; বিশ্ববিদ্যালয় এখন নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে চলছে এবং উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।
সূত্র; যুগান্তর