
নোয়াখালীতে মধ্যরাতের ঝড়ে রেললাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়ায় ভোর থেকে ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন মাইজদী কোর্ট স্টেশনে আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি তৈরি হয়।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে জেলা শহর মাইজদীসহ নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড ঝড়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে, যার কিছু রেললাইনের ওপর পড়ায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়।
সকাল ৬টায় নোয়াখালী স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা উপকূল এক্সপ্রেস হরিনারায়নপুর স্টেশনের কাছে গাছ পড়ে থাকায় আটকে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গাছ সরিয়ে ট্রেনটি মাইজদী কোর্ট স্টেশনে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন। তবে মাইজদীর ইমামবাজার সংলগ্ন বসিরার দোকান এলাকার কাছে আবারও রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে থাকায় ট্রেনটি সকাল ৮টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত সেখানে আটকে থাকে। পরে গাছ অপসারণের পর ট্রেনটি চৌমুহনী স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
ট্রেনের চালক রফিকুল ইসলাম জানান, সামনে আরও কয়েকটি স্থানে গাছ পড়ে আছে। তাই চৌমুহনীতে পৌঁছেও অপেক্ষা করতে হতে পারে এবং কখন গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে তা নিশ্চিত নয়।
ট্রেনের দীর্ঘ বিলম্বের খবর ছড়িয়ে পড়লে অনেক যাত্রী বিকল্প পথে গন্তব্যে রওনা দেন। ফলে কিছুক্ষণ পর ট্রেনটি প্রায় যাত্রীশূন্য হয়ে পড়ে। তবে অল্পসংখ্যক যাত্রী ট্রেনেই বসে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আসাদুজ্জামান বলেন, ভোর থেকেই রেলওয়ে ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা রেললাইন থেকে গাছ অপসারণের কাজ করছেন। সব গাছ সরাতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এরপর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে।