হাদি হত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী

image 55

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ জানান, ওসমান বিন হাদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও উত্তর সিটির সাবেক কাউন্সিলর। বাপ্পীর নির্দেশেই হাদিকে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যার পেছনে মূল কারণ ছিল তার আওয়ামী-বিরোধী অবস্থান এবং কার্যক্রম।

শফিকুল ইসলাম আরও জানিয়েছেন, শহীদ শরিফ হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন গ্রেফতার এবং ৫ জন পলাতক রয়েছেন।

ডিবি প্রধান ভিডিওবার্তার বিষয়ে বলেন, ফয়সাল ভিডিওবার্তা দিতে পারে, তবে তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরের দিন, ১২ ডিসেম্বর, ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর, ১৮ ডিসেম্বর, হাদির মৃত্যু ঘটে।

হাদির মৃত্যুর আগে, ১৪ ডিসেম্বর, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। হাদি মারা যাওয়ার পর এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।