
ইশতেহারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে তা হলো—
১. জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ: স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা।
২. বৈষম্যবিহীন, ন্যায় ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন।
৩. যুবকদের ক্ষমতায়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের অগ্রাধিকার।
৪. নারীর জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠন।
৫. আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
৬. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ গঠন।
৭. প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি; সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ।
৮. আর্থিক খাতের সংস্কার ও বিনিয়োগবান্ধব, স্বচ্ছ অর্থনীতি গঠন।
৯. সমানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচন, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ এবং কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা।
১০. মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতকরণ।
১১. জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।
১২. কৃষিতে প্রযুক্তি ব্যবহার ও কৃষকদের সহযোগিতা বৃদ্ধি।
১৩. ২০৩০ সালের মধ্যে ভেজালমুক্ত খাদ্য নিরাপত্তা এবং ‘তিন শূন্য’ ভিশন বাস্তবায়ন।
১৪. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ, শিল্পায়ণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
১৫. শ্রমিকদের মজুরি ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি, নারীর নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ।
১৬. প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও অন্যান্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, দেশ গঠনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
১৭. সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে থাকা শ্রেণির জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করে অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।
১৮. সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও গরিবদের বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ।
১৯. শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার এবং বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।
২০. দ্রব্যমূল্য ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ।
২১. যাতায়াত ব্যবস্থা সংস্কার ও দূরত্ব কমিয়ে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিতকরণ।
২২. নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিতকরণ।
২৩. ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও পুনর্জন্ম রোধ।
২৪. সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা চালু করে নিরাপদ কর্মজীবন নিশ্চিতকরণ।
২৫. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
২৬. সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন।