রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শেরপুর-৩ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই ভোটার নয়, বয়স হতে হবে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব |  শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে শ্রীবরদীর ৭২টি ও ঝিনাইগাতীর ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা বুথ স্থাপনসহ সব প্রস্তুতি শেষ করে ভোটগ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে ভোট হলেও জামায়াত প্রার্থী আলহাজ নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। নতুন তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এখানে ভোটগ্রহণ হবে। এ আসনে বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের আলহাজ মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মাসুদুর রহমান প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই।

বিএনপি সরকার গঠন করায় দলটির প্রার্থী রুবেল নির্ভার অবস্থানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদলের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে জয়ের আশা করছেন জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের পাশাপাশি র‍্যাবের ১০টি টিম মাঠে থাকবে এবং চারটি টিম রিজার্ভে রাখা হয়েছে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, তিনজন যুগ্ম জেলা জজ, ১৮ জন পর্যবেক্ষক ও সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিম মাঠে থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।