
জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তাকে কাতারে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তিনি ভারত ছাড়তে রাজি হননি বলে জানিয়েছে মানবজমিন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে কাতারে পাঠাতে বাংলাদেশ, ভারত ও কাতারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা চলছিল। তবে ভারতে থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনার অনড় অবস্থান এবং জোর করে তাকে অন্যত্র পাঠাতে ভারতের অনিচ্ছার কারণে এক পর্যায়ে আলোচনা থেকে সরে আসে দিল্লি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সক্রিয় করতে ভারত সরকার বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেখ হাসিনার সম্মতি না পাওয়ায় তারা ধীরে ধীরে আগ্রহ হারায়। নির্বাচনের আগে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলাকালে ভারত প্রথমে সাবের হোসেন চৌধুরী এবং পরে রেদওয়ান সিদ্দিক ববির মাধ্যমে দলটিকে নির্বাচনে আনতে চেয়েছিল। তবে কোনো প্রস্তাবেই শেখ হাসিনা রাজি হননি।
এদিকে ভারত-বাংলাদেশ ভিসা প্রক্রিয়া নিয়েও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সরকারের সঙ্গে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক নতুনভাবে গড়ে উঠছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর দুই দেশের ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে পারে।