
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। রোববার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে এ কার্যক্রম চালু করা হয়। ল্যাপটপে বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের মোবাইল ফোনে এক লাখ টাকা করে পৌঁছে যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ২০টি ডিসিপ্লিনের ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী খেলোয়াড়দের সম্মাননাও প্রদান করেন।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয় এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল আলম। এরপর ক্রীড়া বিষয়ক একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, যেখানে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন নেতৃত্বের অবদান এবং খেলোয়াড়দের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
সাফ ফুটসালজয়ী নারী দল, কাবাডি, ভলিবলসহ বিভিন্ন খেলায় সাফল্য পাওয়া খেলোয়াড়রা এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ধাপে ধাপে ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। তবে ক্রিকেট বোর্ড স্বনির্ভর হওয়ায় ক্রিকেটাররা এই তালিকার বাইরে থাকবেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, বেতন কাঠামোর আওতায় থাকা ক্রীড়াবিদদের প্রতি চার মাস অন্তর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্স বজায় রাখতে পারলে সুবিধা অব্যাহত থাকবে, অন্যথায় তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং রাজনৈতিক নেতারা।