শনিবার (১১ অক্টোবর) ভোরে দেশে ফিরলেন শহিদুল আলম

শনিবার (১১ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে আলোকচিত্রী ও লেখক ড. শহিদুল আলমকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ইসরাইল থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছান তিনি। সেখানে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তাঁকে স্বাগত জানান। স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন শহিদুল আলম এবং শনিবার ভোরে পৌঁছান দেশে।

শহিদুল আলমের মুক্তি ও ইসরাইল থেকে তাঁর দেশে ফেরায় সহযোগিতা করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনে ইসরাইলি নৃশংসতা বন্ধ ও গাজায় অবরোধ ভাঙার প্রত্যয়ে ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’ নামের আন্তর্জাতিক একটি সংগঠন গাজামুখী নৌযাত্রা শুরু করেছিল। এতে অংশ নেয় আরেক উদ্যোগ ‘থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা’র আটটি নৌযানসহ মোট নয়টি জাহাজ। বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মীরা এ অভিযানে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের শহিদুল আলমও।

গত ৮ অক্টোবর ওই নৌবহরে ইসরাইলি সেনারা হামলা চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিককে আটক করে। কয়েকদিন বন্দিদশায় থাকার পর মুক্তি পান শহিদুল আলম এবং অবশেষে শনিবার সকালে দেশে ফিরলেন তিনি।