
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। একইসঙ্গে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগে সরকারের সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনের সমালোচনা করেন।
বুধবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়—

“প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দীর্ঘদিন ধরে গণমানুষের প্রাণের দাবি হয়ে আসছে, যা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ সরকার প্রাথমিকে গানের শিক্ষক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই দেশে কত শতাংশ মানুষ সন্তানকে গান শেখায়? কতজন অভিভাবক স্কুলে গানের শিক্ষক চান? বাস্তবে অধিকাংশ অভিভাবকই চান না, তাদের সন্তান বিদ্যালয়ে গান শিখুক।
প্রায় প্রতিটি পরিবারই সন্তানের জন্য আলাদা ধর্মীয় শিক্ষক রাখে বা মক্তবে পাঠায়। যদি সরকার স্কুলেই বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিত, তাহলে অভিভাবকদের অতিরিক্ত খরচ ও ঝামেলা কমে যেত এবং শিক্ষার্থীদেরও মূল্যবান সময় বাঁচত।
রাষ্ট্র প্রতি মাসে প্রাথমিক শিক্ষায় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে, তবুও শিক্ষার মান ক্রমেই নিম্নমুখী। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো অভিভাবকদের আস্থা হারাচ্ছে, পাশাপাশি কিশোর গ্যাংসহ নানা অপরাধ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে।
এ অবস্থায় প্রয়োজন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নৈতিক শিক্ষায় জোর দেওয়া। কিন্তু তার পরিবর্তে কাদের খুশি করতে গানের শিক্ষক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো, তা বড় প্রশ্ন।
সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান— গণআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে বাইরের সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা পরিহার করুন। দেশের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন চায়।”
মন্তব্য (0)
প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।