হাম হলো সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। হামের লক্ষণগুলো রোগীর শরীরে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ পায়। হামের বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে ধারণা থাকলে তা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধে সাহায্য করতে পারে। তবে দেশে প্রতিবছর হামে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা হিসাব করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় না।
হামের র্যাশ সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে ঘাড়, হাত, পা এবং পায়ের পাতাসহ পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। র্যাশ প্রথমে সমতল এবং লাল হয়, পরে তার ওপর ছোট ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, ফুসকুড়িগুলো একত্রিত হয়ে বড় আকার ধারণ করে।
হামে আক্রান্ত হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। জ্বর, র্যাশ ও কাশি থাকায় রোগীর জন্য পুষ্টিকর এবং সহজপাচ্য খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার রোগীর দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
হামে উপকারী খাবার:
- তরল ও পানি জাতীয় খাবার: যেমন- ডাবের পানি, লেবুর শরবত, স্যুপ (মুরগি বা সবজি)।
- ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার: যেমন- গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে।
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার: যেমন- কমলা, মাল্টা, আমলকি।
- নরম ও সহজপাচ্য খাবার: যেমন- খিচুড়ি, নরম ভাত ও ডাল, সুজি বা ওটস।
- প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: যেমন- ডিম, মাছ, মুরগির হালকা রান্না করা মাংস।
- দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার: যেমন- দুধ, দই।
এড়িয়ে চলার খাবার:
- ভাজাপোড়া ও তেলযুক্ত খাবার
- অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার
- ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম, ফাস্টফুড
সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের মাধ্যমে হামের দ্রুত পুনরুদ্ধার সম্ভব।
মন্তব্য (0)
প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।