
তরুণ রাজনৈতিক দুই দল—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদ—একীভূত হওয়ার আলোচনা শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হচ্ছে না। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতানৈক্য ও দলীয় অবস্থান ভিন্নতার কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পিটুনিতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। হাসপাতালেই শুরু হয় একীভূত আলোচনা। শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা একাধিক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। তবে দলগুলোর নাম, নেতৃত্ব কাঠামো ও নুরুল হক নুরের সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে মতানৈক্য প্রকাশ পায়। কমপক্ষে পাঁচজন শীর্ষ নেতা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তারা একীভূত প্রক্রিয়ার বিরোধী।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার কালবেলার বক্তব্য—‘গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে আমরা একীভূত হচ্ছি না। তবে তাদের কিছু শীর্ষ নেতা আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আলোচনাটা এখনও চলমান। পুরো পার্টি যদি আসে, তাদের কিভাবে সংযুক্ত করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।’
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও বলেন, ‘গণঅধিকার ও এনসিপির একীভূত হওয়ার সুযোগ নেই। যে নেতা আসবেন, তাদের এনসিপির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।’
অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের নেতারাও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গণঅধিকার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একীভূত হবে না।’ উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ বলেন, ‘একীভূত হলে এনসিপির এক বছরের অপকর্মের দায় আমাদের নিতে হবে। আমাদের ওপর মানুষের ইতিবাচক ধারণা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আশা করি এনসিপির কিছু নেতা পরবর্তীতে গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেবেন।’