২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ পর্যটক নিতে চায় মালয়েশিয়া

image 89

আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ পর্যটক আকৃষ্ট করার লক্ষ্য নিয়েছে মালয়েশিয়া। ভ্রমণ, খাবার, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার আদান–প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতেই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছে দেশটি।

মালয়েশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঢাকায় ‘মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ার’ উপলক্ষে শনিবার রাতে আয়োজিত এক গালা ডিনারে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান দুই দেশের দীর্ঘদিনের আস্থাভিত্তিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে, যা পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে।

হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, গত কয়েক দশকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিয়মিত সফর ও যোগাযোগ এই অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে আরও বেশি বাংলাদেশি পর্যটককে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় আছে মালয়েশিয়া। কারণ পর্যটনের মাধ্যমে খাবার, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার ভাগাভাগি দুই দেশের জনগণকে আরও ঘনিষ্ঠ করে।

মোহাম্মদ সুহাদা বলেন, ‘ফেস্টিভাল মালয়েশিয়া’ দেশটির বহুসংস্কৃতির সৌন্দর্য, স্বাদ ও সুরের বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে। সাংস্কৃতিক বিনিময় দুই দেশের উষ্ণ সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সম্প্রতি দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সফরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফর এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার কুয়ালালামপুর সফর দুই দেশের সহযোগিতাকে আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি নতুনভাবে নিশ্চিত করেছে। বিশেষত পর্যটন, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি খাতে এ অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য।

তিনি আরও জানান, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বে অন্যতম সংযোগসমৃদ্ধ বিমানবন্দর হিসেবে ভ্রমণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে মালয়েশিয়াকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

দিনের শুরুতে মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ার ও ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ইয়ার ২০২৬’ প্রচারণার উদ্বোধন করে হাইকমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে তিন লাখ বাংলাদেশি পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন।