
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান–ভারত ম্যাচ বয়কট: আইসিসি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম NDTV জানায়, এই বৈঠকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকটি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এতে কারা অংশ নেবেন তা এখনও জানা যায়নি।
আইসিসি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য শাস্তি হিসেবে দিতে পারে:
- দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলায় নিষেধাজ্ঞা
- এশিয়া কাপ থেকে অংশগ্রহণ বাতিল
- পিএসএলে বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে অনুমতি (NOC) বাতিল
এর ফলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আইসিসির কাছ থেকে বার্ষিক আয়ের প্রায় ৩৪.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হারাতে পারে।
বয়কটের কারণে পাকিস্তান টুর্নামেন্টভিত্তিক ক্ষতির মুখোমুখি হবে, আর ওই ম্যাচের ২ পয়েন্ট ভারত পাবে। আইসিসি নিয়ম ১৬.১০.৭ অনুযায়ী, কোনো দল ম্যাচ না খেললে তা তাদের নেট রানরেটে প্রভাব ফেলে; তবে ভারতের নেট রানরেটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
পিসিবি আইসিসিকে আগে অবহিত না করলেও খবর প্রকাশের পর আইসিসি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা পিসিবিকে সতর্ক করেছে যে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।
আইসিসি বিবৃতিতে বলেছে, “নির্বাচিত অংশগ্রহণের অবস্থান বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্টের মূল ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। টুর্নামেন্টগুলো ক্রীড়াগত সততা, প্রতিযোগিতামূলক মান, ধারাবাহিকতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে গঠিত, আর নির্বাচিত অংশগ্রহণ এর চেতনা ও পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে।”
আইসিসি আরও জানিয়েছে, তারা সরকারের জাতীয় নীতির প্রতি সম্মান জানালেও এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রিকেট এবং বিশ্বব্যাপী সমর্থকদের জন্য ক্ষতিকর। পাকিস্তানের লাখ লাখ ভক্তও এর মধ্যে রয়েছেন। আইসিসি আশা করে, পিসিবি এই গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা করবে, কারণ এটি বৈশ্বিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।