রোজার আগে যেভাবে সহজে আগাম প্রস্তুতি নেবেন

image 18

পবিত্র রমজান মাস খুব কাছেই এসে গেছে। আর অল্প কিছুদিন পরই শুরু হবে রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানুল মোবারক। এই বরকতপূর্ণ মাসের পূর্ণ ফায়দা পেতে হলে আগে থেকেই নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করা জরুরি। কারণ, যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজের ভালো প্রস্তুতিই সেই কাজের সফলতার বড় অংশ নিশ্চিত করে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“আল্লাহ তাআলা সেই কাজই বেশি পছন্দ করেন, যা সুন্দরভাবে ও যত্নসহকারে করা হয়।” (তাবারানি)

এই কারণেই রমজানকে ঘিরে মুমিন মুসলমানের কিছু আগাম প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন, যা পুরো মাসজুড়ে আল্লাহর রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের পথ খুলে দেয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক মানুষের প্রস্তুতি দেখলে মনে হয় রমজান যেন শুধু খাওয়া-দাওয়া, বাজার করা, পণ্য জমানো বা ব্যবসার মাস। অথচ রমজান এসবের জন্য নয়। রমজান হলো ত্যাগের মাস, ইবাদত-বন্দেগির মাস, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাস।

রমজানের প্রস্তুতি মানে বেশি খাবার জোগাড় করা নয়; বরং আত্মিক ও মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবে আমরা আত্মিক প্রস্তুতির চেয়ে বাহ্যিক প্রস্তুতিকেই বেশি গুরুত্ব দিই।

একজন বিখ্যাত তাবেয়ী হজরত মুয়াল্লা ইবনে ফজল (রহ.) বলেন,
“সালাফে সালেহিনরা রমজানের ছয় মাস আগে থেকেই দোয়া করতেন—হে আল্লাহ! আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। আর রমজান শেষে বাকি ছয় মাস দোয়া করতেন—হে আল্লাহ! রমজানে করা আমাদের আমলগুলো কবুল করে নিন।”

এ থেকে বোঝা যায়, রমজানের ইবাদত যেনতেনভাবে নয়; বরং পূর্ণ প্রস্তুতি ও আন্তরিকতার সঙ্গে আদায় করা উচিত। এতে আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জিত হয়।

রমজানের আগাম প্রস্তুতির অন্যতম একটি বিষয় হলো—

১. তাওবাহ ও ইসতিগফার করা:
রমজান আসার আগেই নিজের সব গুনাহ থেকে আন্তরিকভাবে তাওবাহ ও ইসতিগফার করা জরুরি। কেউ যদি মনে করে, রমজান এলেই সব গুনাহ আপনাআপনি মাফ হয়ে যাবে—তাহলে সে ভুল করছে। বরং আগে থেকেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজেকে পবিত্র করে নেওয়াই রমজানের বরকত পাওয়ার সঠিক পথ। আল্লাহ তাআলা তাওবাহকারীর গুনাহ মাফ করে দিয়ে তাকে রমজানের কল্যাণে ভরিয়ে দেন।

– اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِىْ : আল্লাহুম্মাগফিরলি, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন।

২. রমজানের সব উপকারিতা স্মরণ করা: বরকতময় মাস রমজান সম্পর্কে কোরআন-সুন্নায় যেসব ফজিলত মর্যাদা ও উপকারিতার বর্ণনা রয়েছে, রমজান শুরু হওয়ার আগেই সেসব সম্পর্কে জেনে নেওয়া। সেসব উপকার পেতে কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলার প্রস্তুতি নেওয়া। মাস রমজান আসতেছে, মানসিকভাবে বারবার এ কথার স্মরণ ও নেক আমলের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে এ দোয়াটি বেশি বেশি করা-

– اَللَّهُمَّ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ : আল্লাহুম্মা বাল্লিগনা রামাদান। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। অর্থাৎ রমজান পর্যন্ত হায়াত দান করুন।’

৩. মানসিক প্রতিজ্ঞা নেওয়া: রমজান মাসে পরিপূর্ণ সওয়াব ও ক্ষমা পেতে মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা। জীবনভর যত গুনা করেছি এ রমজানে সেসব গুনা বা অন্যায় থেকে পরিপূর্ণ ক্ষমা পেতে হবে। সবচেয়ে বেশি সওয়াব পেতে হবে। রমজান শুরু হওয়ার আগে এ প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করা জরুরি।

আফসোসের বিষয়- অনেক সময় পূর্ব প্রস্তুতি না থাকার কারণে রমজান পেয়েও মুমিন মুসলমান পরিপূর্ণ সওয়াব ও ক্ষমা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।

প্রতিজ্ঞা এমনভাবে করা যে, চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য বা নিজের কাজ যেমনই হোক, আমি আমার বিগত জীবনের সবে গুনা থেকে নিজেকে মাফ করিয়ে নেব। আমার প্রতি আল্লাহকে রাজি-খুশি করিয়েই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

৪. ভাংতি রোজার কাজা আদায় করা: রমজান শুরু হওয়ার আগে বিগত জীবনে অসুস্থ হওয়ার কারণে বা সফরের কারণে রমজানের ফরজ রোজা কাজা হয়ে থাকলে তা যথাযথভাবে আদায় করে নেওয়া। বিশেষ করে মা-বোনদের ভাঙতি রোজা থাকতে পারে। তাই রমজানের আগে শাবান মাসের এ সময়ে কাজা রোজা আদায় করে নেওয়া। এতে দুইটি ভালো আমল বাস্তবায়িত হবে-

– প্রথমটি : বিগত জীবনের কাজা রোজা আদায় হবে। রমজানের রোজা পালনের প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

– দ্বিতীয়টি : সুন্নাতের অনুসরণ হবে। রমজানের আগের মাস শাবানে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশি বেশি নফল রোজা রাখতেন। রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে। কাজা রোজা আদায় করার মাধ্যমে সুন্নাতের অনুসরণও হয়ে যাবে।

৫. সাধারণ ক্ষমা পাওয়ার চেষ্টা করা: আল্লাহ তাআলা রমজান মাসে অনেক মানুষকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তবে এ সাধারণ ক্ষমা সবার ভাগ্যে জুটে না। কেননা এ ক্ষমা পেতে হলে দুইটি কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্ষমা প্রার্থনা করে তা থেকে ফিরে আসতে হবে। তাহলো-

– শিরক থেকে মুক্ত থাকা। আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শিরক না করা। কেউ ইচ্ছা কিংবা অনিচ্ছায়, ছোট বা বড় শিরক করে থাকলে রমজান আসার আগেই তা থেকে তাওবাহ-ইসতেগফারের মাধ্যমে ফিরে আসা।

– হিংসা থেকে মুক্ত থাকা। কারো প্রতি কোনো বিষয়ে হিংসা না করা। কারণ হিংসা মানুসের সব নেক আমলকে সেভাবে জালিয়ে দেয়; যেভাবে আগুন কাঠকে জালিয়ে দেয়। তাই হিংসা পরিহার করে মনকে ক্ষমা লাভে স্বচ্ছ রাখা।

৬. ফরজ রোজার নিয়ম-কানুন জেনে নেওয়া: রমজান মাস আসার আগে রোজা পালনের মাসআলা-মাসায়েল তথা নিয়ম-কানুনগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। আর তাতে রমজানের রোজা নষ্ট হওয়া থেকে বা মাকরূহ হওয়া থাকে বা অন্যান্য বিষয়গুলো জেনে নেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

৭. বিগত রমজানের অসমাপ্ত আমলগুলো খুঁজে বের করা: রমজান মাস আসার আগে বিগত রমজানের নেক আমলগুলো করতে না পারার কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করা। যেমন তা হতে পারে এমন-

– কেন নিয়মিত কোরআন অধ্যয়ন করা হয়নি?

– কেন তারাবিহ পড়া হয়নি?

– কেন দান-সহযোগিতা করা হয়নি?

– কেন ইতেকাফ করা হয়নি?

– কেন রোজাদারকে ইফতার করানো হয়নি?

– কেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের স্ঙ্গে আদায় করা সম্ভব হয়নি?

– কেন কোরআন-সুন্নার আলোচনায় বসা হয়নি?

– কেন রমজানের পরিবারের লোকদের হক আদায় করা হয়নি?

– কেন রমজানের পাড়া-প্রতিবেশি বা আত্মীয়দের হক আদায় করা হয়নি?

এ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে নেওয়া। যেন এ বছর রমজান আসার আগে আগে চিহ্নিত কারণগুলো থেকে নিজেকে বিরত রেখে কিংবা পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করে কল্যাণকর সব নেক আমলগুলো করা যেতে পারে।

৮. শাবান মাসজুড়ে রোজা রাখার মহড়া চালু রাখা: রমজান মাসের বেশি বেশি ইবাদত করতে এবং রোজা রাখার জন্য শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা। বেশি বেশি কোরআন অধ্যয়ন করা। নফল নামাজ পড়া। তাওবাহ-ইসতেগফার করা। ত্যাগের মানসিকতা তৈরি করা। দান-সাদকাহ শুরু করা। যাতে এ মহড়ার বাস্তবায়ন পুরো রমজানজুড়ে সুন্দরভাবে চালানো যায়।

৯. রমজানের ২৪ ঘণ্টার রুটিন তৈরি করা: রমজান মাসজুড়ে যে যেই কাজেই থাকুক না কেন, পুরো সময়টি কোন কোন কাজে কীভাবে ব্যয় হবে তার একটি সম্ভাব্য রুটিন তৈরি করে নেওয়া। আগাম রুটিন থাকলে রমজানে চরম ব্যস্ততার মাঝেও নেক আমলসহ অন্যান্য কাজগুলোও ইবাদতের মধ্যেই কেটে যাবে। এক কথায় সব কাজের তালিকা করে নেওয়া।

১০. রমজানের চাঁদের অনুসন্ধান করা: শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় চাঁদের অনুসন্ধান করা সুন্নত। বিলুপ্ত হওয়ার পথে থাকা এ সুন্নতটিকে আবারও জীবিত করার পূর্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

– চাঁদ দেখা গেলে এ দোয়া পড়া-

اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله

উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ : আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

– রমজানের চাঁদ দেখার খবর শুনেই হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে মুমিনের আকুতিভরা প্রার্থনা হবে এমন-

اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لرمضان، وسلم رمضان لي، وتسلمه مني مُتَقَبَّلاً

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লি-রমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। জন্য রমজানকে শান্তিময় করে দিন। রমজানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন।’ (তাবারানি)

১১. বেশি বেশি দোয়া: রমজানের আগে আল্লাহর কাছে এ প্রার্থনা করা। হে আল্লাহ! আমি যতই চেষ্টা করি, তোমার তাওফিক বা ইচ্ছা না থাকলে আমি যেমন রমজান পাবো না। আবার রমজান পেলেও রবকত লাভে সক্ষম হবো না। সুতরাং রমজান ও রমজানের নেক আমল করার তোমার কাছে চাই।

১২. কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করুন এখনই: রমজানের কেন্দ্রবিন্দু পবিত্র কোরআন। এই মাসে কোরআন তিলাওয়াত, অনুধাবন ও হিফজের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে রমজান শুরু হওয়ার অপেক্ষা না করে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

১৩. প্রতিদিনের লক্ষ্য ঠিক করুন: এক পৃষ্ঠা বা কয়েক মিনিট হলেও নিয়মিত তিলাওয়াত করুন। অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন, অনুবাদ ও তাফসিরের সাহায্য নিন। নামাজে পড়ার জন্য ছোট ছোট সূরা বা আয়াত মুখস্থ করুন। এভাবে আগেই অভ্যাস গড়ে তুললে রমজানে কোরআনের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত হওয়া সহজ হবে।

১৪. দৈনন্দিন অভ্যাস পর্যালোচনা ও সংশোধন করুন: রমজান শুধু অনাহারে থাকার মাস নয়; খারাপ অভ্যাস বর্জন ও ভালো অভ্যাস গ্রহণের উপযুক্ত সময়। অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততা কমিয়ে ফেলুন, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় নষ্ট কমিয়ে আনুন। ধৈর্য চর্চা করুন। রাগ নিয়ন্ত্রণ, গিবত থেকে বিরত থাকা ও সুন্দর ভাষায় কথা বলার অভ্যাস করুন। নিয়মিত রুটিন গড়ে তুলুন। নামাজ, কাজ, পরিবার ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য রাখুন।

এই পরিবর্তনগুলো রমজান মাসে সহজেই শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনে প্রবেশে সহায়ক হবে।

১৫. নামাজে ধারাবাহিকতা বাড়ান: রমজানে তারাবিহ, তাহাজ্জুদের মতো অতিরিক্ত নামাজ আদায় করতে হয়। তাই আগে থেকেই নামাজে মনোযোগ ও নিয়মিত হওয়া জরুরি।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে দৃঢ় প্রত্যয়ী হোন। রোজা ও ইফতার-সংশ্লিষ্ট দোয়া শিখুন। রাতের নামাজের অভ্যাস গড়ুন। ফজরের আগে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে রমজান মাসে শরীর ও মন ইবাদতে প্রস্তুত থাকবে।

১৬. খাদ্য পরিকল্পনা ও পুষ্টির দিকে নজর দিন: সঠিক খাবার না খেলে রোজা শরীরের ওপর চাপ ফেলতে পারে।

সাহরিতে পুষ্টিকর খাবার রাখুন। তালিকায় শর্করা, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখুন। ইফতার থেকে সাহরির মাঝের সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ইফতারে অতিভোজন এড়িয়ে চলুন। খেজুর ও পানি দিয়ে রোজা ভেঙে হালকা খাবার খান। এতে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে এবং ইবাদতে মনোযোগ বাড়বে।

১৭. ক্ষমা প্রার্থনা ও সম্পর্ক মেরামত করুন: রমজানের আগে মনকে হালকা করা জরুরি। যাদের কষ্ট দিয়েছেন, তাদের কাছে ক্ষমা চান। অন্যদের ক্ষমা করুন, হিংসা ও ক্ষোভ দূর করুন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও হেদায়াত চান। পরিষ্কার হৃদয় নিয়ে রমজানে প্রবেশ করলে বরকত বাড়ে।

রমজানের প্রস্তুতি মানে শুধু তালিকা পূরণ নয়; এটি মানসিক ও আত্মিক পরিবর্তনের যাত্রা। উপরোক্ত পরামর্শ অনুসরণ করলে ২০২৬ সালের রমজান হতে পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক পবিত্র অধ্যায়।