
গোপালগঞ্জের গোলাপগঞ্জে দিনভর সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল সূত্রে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতরা হলেন দীপ্ত সাহা, রমজান কাজী, সোহেল ও ইমন তালুকদার। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় আজ রাত ৮টা থেকে আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দুপুরে চৌরঙ্গী মোড়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এনসিপির নেতাদের গাড়িবহরে দুই দিক থেকে হামলা চালায়। শুরু হয় দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলা। পুলিশ ও সেনাবাহিনী তাদের পিছু হটানোর চেষ্টা করে।
হামলার মুখে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন এনসিপির নেতারা। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় তারা সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। রাজধানীর শাহবাগ, মানিকগঞ্জের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, চট্টগ্রাম ও সিলেট সড়কে অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। বিক্ষোভকারীরা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নেতাকর্মীদের ব্লকেড সরিয়ে নিয়ে রাজপথের একপাশে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন।
/