‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ অভিযান: গ্রেটা থানবার্গসহ ১৭০ অধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠাল ইসরায়েল

image 128

ইসরায়েল গাজার নৌ অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে গত সপ্তাহে যাত্রা করা ত্রাণবাহী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ আটক করে ১৭০ জন ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল। তাদের মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু অধিকারকর্মী গ্রেটা থানবার্গকেও দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

গ্রিসের এথেন্স বিমানবন্দরে পৌঁছালে সমর্থকদের ফুল ও উল্লাসে অভ্যর্থনা পান গ্রেটা। সেখানে তিনি মুষ্টিবদ্ধ হাতে সংহতির প্রতীক প্রদর্শন করেন।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আটক কর্মীদের গ্রিস ও স্লোভাকিয়ায় পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে গ্রিস, স্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের ওপর কোনো নির্যাতন বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— এসব ‘ভুয়া খবর’। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ফ্লোটিল্লার ৪২টি নৌযানে থাকা ৪৭৯ জনের মধ্যে ৩৪১ জনকে ইতোমধ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে, বাকি ১৩৮ জন এখনো ইসরায়েলে আটক রয়েছেন।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা (জিএসএফ) জানায়, রোববার (৫ অক্টোবর) পর্যন্ত আটক কর্মীদের মধ্যে অন্তত ৪০ জন অনশন ধর্মঘটে রয়েছেন। তাদের দাবি, ফ্লোটিল্লার উদ্দেশ্য ছিল গাজার অবৈধ অবরোধ ভেঙে সমুদ্রপথে মানবিক করিডর সৃষ্টি করা এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান গণহত্যা বন্ধ করা।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য— তাদের অবরোধ বৈধ এবং ফ্লোটিল্লাটি ছিল ‘একটি প্রচারমূলক আয়োজন’, কারণ এতে মাত্র দুই টন ত্রাণসামগ্রী বহন করা হচ্ছিল।