
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের নৃশংস হামলার পর ছয় দিন লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে চেতনা ফিরে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েম। অন্যদিকে সমাজতত্ত্ব বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার মাথার খুলি অপারেশনের মাধ্যমে অপসারণ করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে, চিকিৎসা চলছে তাকে নিয়েও।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মু. ইসমাঈল হোসেনের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে দুই শিক্ষার্থীর চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।
ডা. ইসমাঈল জানান, ইমতিয়াজ আহমেদ সায়েম ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগোচ্ছেন। তিনি হাত-পা নড়াচ্ছেন এবং পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন। বর্তমানে তার কনশাস লেভেল ১০ থেকে ১২ এর মধ্যে ওঠানামা করছে, যদিও স্বাভাবিক মাত্রা ১৫। রক্তক্ষরণজনিত কিছু জটিলতা থাকলেও শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় তার জন্য নতুন করে মেডিকেল বোর্ড বসবে।
অন্যদিকে মামুন মিয়া চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর এখন উন্নতি হওয়ায় আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরিত হয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে দু’মাস পর মাথার খুলি পুনঃস্থাপন করা হবে।
এদিকে সংঘর্ষ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ২ নম্বর গেটসংলগ্ন জোবরা এলাকায় এখনো থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া নয়জন আসামির জামিন আবেদন আদালত নাকচ করেছে।