
বৃষ্টির মতো কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রাম। সন্ধ্যার পর ঘন কুয়াশা নামার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে-খাওয়া দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষরা।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।
হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এই অঞ্চলে দিন দিন শীত আরও তীব্র রূপ নিচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলাজুড়ে শীতের দাপট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমর, ধরলা সহ ১৬টি নদ-নদীর চরাঞ্চলের মানুষ চরম ভোগান্তির মুখোমুখি হয়েছেন।
নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ভ্যানচালক আফজাল হোসেন বলেন, “ঠান্ডা এত বেশি যে গাড়ি চালানোর সময় শরীর শীতল হয়ে যায়। হাত-পা কাঁপে, ফলে ভ্যান চালানোও সম্ভব হচ্ছে না।”
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, “রোববার সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ। আগামী কয়েক দিনও তাপমাত্রা এমনই থাকতে পারে।”