
নীচে খবরটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, সাবলীল ও সংবাদযোগ্যভাবে rewritten করে দিলাম:
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলায় খাসজমিতে তরমুজ চাষকে কেন্দ্র করে কৃষকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও ৩০–৩৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি শুক্রবার প্রকাশ্যে আসে।
আহত কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খাসজমিতে কৃষিকাজ করে আসছেন তারা। তিন মাস আগে ইউএনও ও এসিল্যান্ডের মাধ্যমে ওই জমি ১৫৫ জন কৃষককে ইজারা দেওয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি নেতা বাকের বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন এবং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হাওলাদার তাদের চাষাবাদে বাধা দিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার চাষাবাদে গেলে তারা অতর্কিত হামলা করেন বলে অভিযোগ।
তবে অভিযুক্ত আনোয়ার হাওলাদার দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমিতে তাদের ঘর ছিল, যা ভেঙে অন্যরা নতুন ঘর নির্মাণ করছিল—এ কারণে বাধা দেন তারা। চরবিশ্বাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাকের বিশ্বাস হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বিষয়টি জানার পর প্রশাসনকে জানিয়েছেন বলে দাবি করেন।
গলাচিপা থানার ওসি আশাদুর রহমান জানান, খাসজমি ও ইজারা পাওয়া জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সংঘর্ষে ইজারা পাওয়া কৃষকদের ২৪–২৫ জন আহত হয়েছেন, অন্য পক্ষেও আহতের খবর রয়েছে।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান বলেন, বিরোধ মীমাংসায় উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করা হয়েছিল এবং হামলাকারী পক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।