নতুন বছরে ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধের আশঙ্কা

image 262

সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি পেলে ২০২৬ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পুনরায় সশস্ত্র সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংকট্যাংক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স (সিএফআর)। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিশেষজ্ঞদের ওপর পরিচালিত এক জরিপভিত্তিক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে করা জরিপে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা ও সাম্প্রতিক সংঘর্ষগুলোর প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন কঙ্গো, গাজা ও ইউক্রেনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাত নিরসনে উদ্যোগ নিলেও ভারত–পাকিস্তান এবং কম্বোডিয়া–থাইল্যান্ড সীমান্তের উত্তেজনা এখনো উদ্বেগজনক রয়ে গেছে।

প্রতিবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, চলতি বছরের মে মাসে কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টানা তিন দিন সামরিক সংঘাত হয়। ৬ মে রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে পাকিস্তানি ভূখণ্ডে অভিযান চালায়। ভারতের দাবি, ওই অভিযানে সন্ত্রাসী শিবির লক্ষ্য করে শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়।

এর জবাবে ৭ থেকে ১০ মে পর্যন্ত পাকিস্তান সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। পরে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় ১০ মে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

সিএফআর জানায়, চলতি বছর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যেও সীমান্ত উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে অক্টোবরে কাবুলে টিটিপি প্রধান নুর ওয়ালি মেহসুদকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, আফগানিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে জঙ্গি হামলা বাড়লে ২০২৬ সালে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যেও ‘মাঝারি মাত্রার’ সশস্ত্র সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, শিরোনামধর্মী বা ব্রেকিং নিউজ স্টাইলেও করে দিতে পারি।