ফিলিস্তিনের শান্তি প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও কাতারকে বাদ দিচ্ছে ইসরায়েল

image 169

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। এ বাহিনীতে বিভিন্ন দেশের সেনা থাকার কথা থাকলেও তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এএফপি ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে ইসরায়েল। এই ধাপে হামাস ও গাজাকে নিরস্ত্র করা হবে। এ উদ্দেশ্যে গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো ভূমিকা থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এই দুই দেশ যুদ্ধোত্তর গাজা পরিচালনার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত কোনো সংস্থায় কর্তৃত্ব বা প্রভাব রাখতে পারবে না।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও জানানো হয়েছে, যুদ্ধের পর গাজায় তুরস্ক কিংবা কাতারকে কোনো অবস্থান গড়ে তুলতে দেওয়া হবে না।

এ সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গাজায় হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং ইরান যদি ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়, তবে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

তবে গাজায় ঠিক কোন কোন দেশ সেনা পাঠাবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্যভাবে যেসব দেশের সেনা মোতায়েন হবে, তাদের কাজ হবে গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।