তন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা নির্বাচনী প্রচারণাকালে মানহানির অভিযোগ

image 205

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা নির্বাচনী প্রচারণাকালে মানহানি, অশালীন বক্তব্য ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে লিখিত আবেদন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ সময় কয়েকজন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে একই অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

অভিযোগপত্রে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে তার নির্বাচনী এলাকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ও গুরুতর অনিয়ম চলছে। গত ১১ জানুয়ারি আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুরে খালেদা জিয়ার মিলাদ মাহফিলে দেওয়া এক বক্তব্যে তাকে লক্ষ্য করে মানহানিকর ও অশালীন মন্তব্য করা হয় বলে তিনি দাবি করেন। সেখানে তাকে অন্য এক প্রার্থীর সঙ্গে তুলনা করে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, যা তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও বলেন, রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ করে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

অভিযোগে বলা হয়, একটি বড় রাজনৈতিক জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিতভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই বিলাসবহুল প্যান্ডেল ও মঞ্চ নির্মাণ করে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে এবং তাকে প্রকাশ্যে নোংরা ও ন্যাক্কারজনক ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রুমিন ফারহানার দাবি, মাঠপর্যায়ের নির্বাচনি কর্মকর্তারা এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। অথচ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দুই দফায় ১০ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমাকে টিস্যু পেপার বলা হয়েছে, মমতাজ বেগম ও নর্তকী বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। আমি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি, আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আমি ছোট একটি টেবিল নিয়ে কর্মসূচি করলেও জরিমানা করা হচ্ছে।”