
ইফতেখার হোসাইন, প্রতিবেদক:
দক্ষিণ কোরিয়ায় ডিসেম্বরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে পাখির আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এই দুর্ঘটনায় ১৭৯ জন নিহত হয়েছিলেন।
জানা গেছে, ২৯ ডিসেম্বর সকালে জেজু এয়ার বিমানটি ব্যাংকক থেকে উড়ে এসে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে যাচ্ছিল। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে, পাইলট বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করার তিন মিনিট পরই কন্ট্রোল টাওয়ার ক্রুদের “পাখির উপস্থিতি” সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়।
সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটে, পাইলট বিমানটি পাখির সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে বলে জানান এবং মেয়ডে সংকেত দেন। এর পর তিনি উল্টো দিক থেকে অবতরণের অনুমতি চান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবতরণের সময় বিমানটি ল্যান্ডিং গিয়ার ছাড়াই পেটের উপর ভর করে অবতরণ করে। এটি রানওয়ে পেরিয়ে গিয়ে একটি কংক্রিট কাঠামোর সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিস্ফোরিত হয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বিমানের দুইটি ইঞ্জিনে পাখির পালক ও রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এগুলো বাইকাল টিল নামক অভিবাসী হাঁসের, যারা বড় বড় ঝাঁকে উড়ে বেড়ায়।
এই দুর্ঘটনা দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। এখন তদন্তকারীরা পাখির আঘাতের ভূমিকা এবং রানওয়ের শেষে থাকা কংক্রিট কাঠামোর প্রভাব নিয়ে বিশদ তদন্ত চালাবেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমানের ইঞ্জিনগুলো খুলে ফেলা হবে এবং রানওয়ের কংক্রিট কাঠামোটি আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
/হ্যাভেন টিভি ডট প্রেস
