
ইফতেখার হোসাইন, প্রতিবেদক :
চীনের যুদ্ধজাহাজ গত তিন সপ্তাহ ধরে অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে ঘুরছে, সিডনির ২০০ মাইলের মধ্যে প্রবেশ করেছে, এবং নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে একটি নজিরবিহীন লাইভ-ফায়ার মহড়া পরিচালনা করেছে।
এই মহড়া, যা সরকারি ঘোষণা ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে, দুই দেশেই গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। চীনের সামরিক শক্তির উপস্থিতি এখন আর দূরবর্তী সাউথ চায়না সি বা তাইওয়ান প্রণালীতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি বাস্তবতা যা অনেক কাছাকাছি ঘটছে।
একই সময়ে, ভিয়েতনাম ও তাইওয়ানের কাছেও চীনা যুদ্ধজাহাজ দেখা গেছে, যা চীনের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌবাহিনীর শক্তির প্রদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীনের পক্ষে বক্তব্য
চীন নিজেদের আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে দাবি করেছে এবং বিশ্বকে চীনের যুদ্ধজাহাজের কাছে পরিচিত হতে হবে বলে রাষ্ট্রীয় মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছে।
চীন এবং আমেরিকার সম্পর্কের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউক্রেন বিষয়ক সিদ্ধান্ত এবং “আমেরিকা প্রথম” নীতি এসব বিষয়কে আরও জটিল করেছে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে অস্থির করে তুলছে।
রিজিওনাল নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক ঘটনা দিয়ে মিত্ররা নিশ্চিত হতে চায় যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে কিনা।
অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের জন্য এই সময়টি আর্থিক পুনঃমূল্যায়ন এবং অঞ্চলের অন্যান্য শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করার সময় হতে পারে, বিশেষজ্ঞরা বলেছেন।
AUKUS চুক্তির প্রভাব
অস্ট্রেলিয়া AUKUS চুক্তি–এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে শক্তিশালী সামরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে, কিন্তু ট্রাম্পের আমলে এই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।
এদিকে, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানও উদ্বিগ্ন।
/হ্যাভেন টিভি ডট প্রেস
