ভোটকেন্দ্রে মোবাইল না আনতে নির্দেশ, কড়া বার্তা জামায়াত আমিরের

বিরাজমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু হবে না: জামায়াতের আমির | প্রথম  আলো

ভোটের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আবারও লড়াই করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্দেশে এ সতর্কবার্তা দেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, এ দেশের মানুষ একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ অধিকার মানুষ নিরাপদে প্রয়োগ করতে চায়—নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে এবং প্রার্থী-প্রতীক নিয়ে উদ্‌যাপন করতে চায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনের দিনটি গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত হওয়া উচিত। সেদিন ভোটাররা গর্বের সঙ্গে লাইনে দাঁড়াবেন, ছবি তুলবেন এবং নিজেদের পছন্দের স্বাধীনতা উপভোগ করবেন। এর ব্যত্যয় ঘটার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এই অধিকার কেড়ে নিতে বা এতে হস্তক্ষেপ করতে চায়, তবে জাতি প্রস্তুত—বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম অধিকার রক্ষায় সদা প্রস্তুত রয়েছে। পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, ভোটের অধিকার একবার লড়াই করে অর্জিত হয়েছে; প্রয়োজনে আবারও লড়াই করেই তা রক্ষা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

এর আগে রোববার রাতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের সই করা চিঠিতে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্দিষ্ট কয়েকজন ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কেবল ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং অফিসারদের অবহিত করা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।