
দেশের ফুটবলে ফিরে এসেছেন সানজিদা আক্তার, তবে এবার ক্লাব ফুটবলের মাধ্যমে। এর আগেও নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির হয়ে খেলেছেন তিনি, কিন্তু সেটি ছিল শুধুই দেশের মাঠে। এবার এই ক্লাবের হয়েই বিদেশের মাটিতে অধিনায়কত্ব করবেন সানজিদা। গত বছরের অক্টোবরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর থেকে জাতীয় দলে সুযোগ হয়নি তার। এ বছরের এপ্রিল মাসে তিনি খেলতে যান ভুটান লিগে এবং আগস্টের শেষ দিকে ফিরে এসে অংশ নেন বাফুফের আয়োজিত এএফসির বি লাইসেন্স কোর্সে। পাশাপাশি চালিয়ে যান ব্যক্তিগত অনুশীলন।
নারী সাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫–এ অংশ নিতে নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির হয়ে খেলবেন সানজিদা আক্তার—এবং দলটির নেতৃত্বও থাকবে তার কাঁধে। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বুধবার সন্ধ্যায় নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি এবং তার সতীর্থরা।
দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মধ্যে সানজিদাই একমাত্র সিনিয়র। বাকি সব খেলোয়াড় অনূর্ধ্ব–২০ ও অনূর্ধ্ব–১৭ দলের সদস্য।

তরুণদের নিয়ে গড়া দলটি কেমন করবে—এমন প্রশ্নে সানজিদা সময় সংবাদকে বলেন,
‘আমরা যাচ্ছি ভালো খেলতে। দলের মেয়েরা অনূর্ধ্ব–২০ দলের খেলোয়াড়, তাদের সামনে এশিয়ান কাপও আছে। এই টুর্নামেন্ট তাদের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করবে। আমি সবাইকে সেরাটা দিতে বলব, তবে তাদের ওপর কোনো চাপ নেই।’
শুধু তাকেই দলে নেওয়া হলো কেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন,
‘আমি জানি না বাকিরা কেন নেই। ক্লাব থেকে ডাক পেয়েছি, তাই এসেছি। অন্যদের বিষয়ে কিছু জানি না।’
অধিনায়কত্ব, কোচিং কোর্স এবং ভুটান লিগে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে কিনা—এ প্রশ্নে সানজিদার উত্তর,
‘অবশ্যই লাগবে। কোচিং কোর্সের অভিজ্ঞতায় খেলোয়াড় হিসেবে নিজের ভুল ধরতে সুবিধা হয়। আর অভিজ্ঞতা তো সবসময়ই কাজে দেয়। চেষ্টা করব সেরাটা দিতে।’

কোচ পিটার বাটলারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন,
‘অনেক আগেই কথা হয়েছে। কোনো সমস্যা হলে তাকে জানাতে বলেছেন।’
জাতীয় দলে ফেরার প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতিকে কোনো বার্তা দিতে চান কিনা—জানতে চাইলে সানজিদার জবাব,
‘বাফুফে সভাপতি আমাদের অভিভাবক, তিনি অনেক স্মার্ট। এসব বিষয় তিনি স্মার্টলিই ম্যানেজ করতে জানেন—কোথায়, কীভাবে, কী করতে হবে তা তিনি খুব ভালো বোঝেন।’