মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাউলদের ওপর হামলা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা এবং এটি উগ্র ধর্মান্ধতার প্রকাশ। তিনি বলেন, “আমাদের আবহমান গ্রামবাংলার সংস্কৃতির অংশ বাউলরা দেশের মাঠে-ঘাটে গান গেয়ে চলেন। তাদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি উগ্র ধর্মান্ধদের হামলা বলেই আমি মনে করি।” এ ধরনের হিংসা ও প্রতিহিংসার পথ বেছে নেওয়া কারো জন্যই শোভনীয় নয় উল্লেখ করে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত নিরসনের দাবি জানান।
কড়াইল বস্তির অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজধানীর সবচেয়ে বড় বস্তি হওয়ায় কড়াইলে কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করে। তারা সবাই নিম্নআয়ের এবং সম্পূর্ণভাবে অসহায়। “আমার বাসায় যিনি রান্না করেন, তার বাসাটিও পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে,” উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি দরিদ্র মানুষের জন্য ভয়াবহ আঘাত।
তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং আগুনের কারণ অনুসন্ধানে সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। যদি কেউ দায়ী থাকে, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আগুনের ঘটনা ষড়যন্ত্র কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান—বিশেষ করে গার্মেন্টস ও কারখানায়—দায়িত্বশীলদের উদাসীনতা, অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করা, আইন না মানা—এসব মিলেই বেশিরভাগ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। যথাযথ আইনের প্রয়োগ ও অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে অনেক দুর্ঘটনাই সহজেই এড়ানো যেত।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এসময় দলীয় শীর্ষ নেতারাও তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দুর্বৃত্তরা জেলা বিএনপির পূর্ববর্তী কার্যালয়টি পুড়িয়ে দেয়।
