রাবারের বিয়ারিং প্যাডের আঘাতে কীভাবে মৃত্যু ঘটতে পারে?

image 536

পাঁচ সপ্তাহের ব্যবধানে মেট্রো লাইনের বিয়ারিং প্যাড দুইবার খসে পড়ায় কাঠামো ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমবার ১৮ সেপ্টেম্বর প্যাডটি খসে পড়লেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি; কিন্তু এবার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্যাডের ওজন অনেক ভারী। সেতু বা উড়ালপথের কম্পন রোধে ব্যবহৃত ‘ইলাস্টোমেরিক বিয়ারিং প্যাড’ নিওপ্রিন বা প্রাকৃতিক রাবার দিয়ে তৈরি হয়। প্যাডের ভেতরে কয়েকটি স্তরে স্টিলের প্লেট থাকে, যা রাবারের আবরণের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রকৌশলী কামরুল হাসান জানান, এই ধরনের রাবার প্যাড সেতুর পিয়ার ও গার্ডারের মধ্যে স্থিতিস্থাপকতা আনতে ব্যবহার করা হয়। এগুলোর ওজন ৫০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। বুয়েট পরীক্ষা করে এই প্যাডের কার্যকারিতা নিশ্চিত করে ছাড়পত্র দেয়।

সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর তৈরি তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মেট্রোরেল পরিচালনাকারী ডিএমটিসিএলের এমডি ফারুক আহমেদ জানান, আগের কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং পিলারগুলো শারীরিকভাবে পরিদর্শন করা হয়েছিল।

সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান প্রশ্ন তোলেন, তাহলে নতুন দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটল? জবাবে ফারুক বলেন, “ঘটনাটি ডিফেক্ট লাইবিলিটি পিরিয়ডের মধ্যে ঘটেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং তারা জানিয়েছিল যে সংশোধন সম্পন্ন হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বর্তমান তদন্ত কমিটি আগের কমিটির রিপোর্টও পর্যালোচনা করবে।