জামায়াতের বিক্ষোভের দিনেই ৮ বিভাগে বিসিএস পরীক্ষা, ভোগান্তির শঙ্কা

image 81

পাঁচ দফা দাবিতে ‘যুগপৎ আন্দোলন’-এর অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

কিন্তু একই দিনে ঢাকাসহ আট বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন প্রায় ৩ লাখ ৭৪ হাজার প্রার্থী।

পরীক্ষার্থীরা জানান, সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে হলে প্রবেশ বাধ্যতামূলক। তাই অনেকেই সকাল ৮টার মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাবেন। আবার পরীক্ষা শেষে বের হতে দেরি হয়ে দুপুর ১টার পর ছুটি পাওয়া যাবে। শহর ছাড়তে গিয়ে বিক্ষোভ বা সমাবেশে পড়লে ভোগান্তি বাড়তে পারে, বিশেষ করে নারী পরীক্ষার্থীদের জন্য।

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, শিক্ষার্থীদের জন্য এ সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিতে ফেলবে। তাই দলগুলোকে সময় পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে জামায়াতের মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, পরীক্ষার্থীরা যেন ভোগান্তিতে না পড়েন, সেদিকে নজর রাখা হবে। প্রয়োজনে পরীক্ষা শেষে কর্মসূচি করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

পিএসসি সূত্র জানায়, ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা প্রথমে ২৭ জুন হওয়ার কথা ছিল। পরে তা পিছিয়ে ৮ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯ সেপ্টেম্বর লিখিত পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বিসিএসের মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৮৭ জন ক্যাডার ও ২০১ জন নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।