
জনপ্রিয় লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য বলেছেন, বাংলাদেশ কোনো গরিব মানুষের রাষ্ট্র নয়, দরিদ্রের রাষ্ট্র নয়, গণমানুষের রাষ্ট্রও নয়—এটা আসলে এলিটদের রাষ্ট্র। আর এই এলিটের রাষ্ট্র ভেঙে দেওয়াই তার মূল লক্ষ্য।
সম্প্রতি এক টকশোতে তিনি বলেন, “বডি সোহেলের মধ্যে কী এমন আছে যে প্রফেসর ইউনূসকে ডাকা হয়, কিন্তু মাহমুদুর রহমানকে কোথাও ডাকা হয় না, কোথাও তাকে এঙ্গেজ করা হয় না? অথচ দেবপ্রিয়কে, অন্যদের এঙ্গেজ করা হয়। একেকটা করে ঝামেলা তৈরি করে, সেই ঝামেলাগুলো আমাদের সামলাতে হয়। প্রফেসর ইউনূসের নিজের কোনো মিডিয়া আছে নাকি?”
তিনি আরও বলেন, “এক বছরে তার বন্ধুর ছেলে, পরিচিতজন, গ্রামীণ ব্যাংকের লোকজন—যাদেরকে পাওয়া গেছে তাদের নিয়েই কাজ করছে। সে নিজেও স্বীকার করেছে যে আগে পাইনি, পরে যাদের পেয়েছি তাদের সঙ্গেই করেছি। কিন্তু এতদিনেও একটা রিভিউ পর্যন্ত হলো না কেন?”
রাষ্ট্র ও সংস্কার প্রসঙ্গে পিনাকী প্রশ্ন তুলে বলেন, “রাষ্ট্র নিয়ে, সংস্কার নিয়ে, সরকার নিয়ে আমাদের কোনো ভাবনা নেই? প্রফেসর ইউনূস সরকারের সংস্কার কমিশন কি আমাদের সঙ্গে বসে আধঘণ্টাও আলোচনা করেছে? অথচ আমরা তো এতদিন ধরে লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি। সংবিধান, নির্বাচন কমিশন, ভবিষ্যতের রাষ্ট্রব্যবস্থা—এসব নিয়ে কি আমাদের কিছু বলার নেই? আমাদের কি মস্তিষ্ক নেই, আমরা কি লেখাপড়া জানি না? নাকি আমরা বিপ্লবের অংশ নই?”