
বাংলা নববর্ষকে সকল বিজাতীয় সংস্কৃতি, অন্ধকারাচ্ছন্ন কুসংস্কার এবং সাম্প্রদায়িক রীতি আচার থেকে মুক্ত করে সার্বজনীন স্বদেশী আবহে পালনে আহ্বান জানিয়েছে ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ১১ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে এ আহ্বান জানান সংগঠনটির সভাপতি জাগ্রত কবি মুহিব খান। এ সময় পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল, সোমবার) ৩টি কর্মসূচি পালনের ঘোষণা করেন তিনি।
কর্মসূচি-১ : সকাল ৯ টায় রাজধানীর পল্টনস্থ মুক্তাঙ্গন থেকে ‘বাংলা নবযাত্রা ১৪৩২’ নামে একটি গণমিছিল পুরানা পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেসক্লাব, জাতীয় ইদগাহ, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের সামনের রাজপথ হয়ে শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন জাতীয় মৎস্য ভবন সড়ক প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি পালনের জন্য শান্তিপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ।
কর্মসূচি-২ : দুপুর ১২টা থেকে শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন জাতীয় মৎস্য ভবন সড়ক প্রাঙ্গণে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও সামাজিক আয়োজন ‘বাঙালি মেজবান’ অনুষ্ঠিত হবে। যাতে দেশি চালের সাদা ভাত, দেশি গরুর তরকারি ও নানা রকম দেশীয় মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হবে। নির্ধারিত শৃঙ্খলা ও নিয়ম অনুযায়ী এতে অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।
কর্মসূচি-৩ : বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা-রাত পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন জাতীয় মৎস্য ভবন সড়ক প্রাঙ্গণে ‘বাংলা সাংস্কৃতিক উৎসব’ নামে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে মঞ্চায়িত হবে দেশীয় সঙ্গীত, কবিতা ও ইতিহাস ঐতিহ্য ভিত্তিক আলোচনা।
‘জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ ঘোষিত ‘বাংলা নববর্ষ উৎসব ১৪৩২’ উদ্যাপনের জন্য পহেলা বৈশাখে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানসমূহে দেশের সকল নাগরিককে স্বানন্দ চিত্তে, প্রফুল্ল মনে, পরিশীলিত পোশাক-পরিচ্ছদে নিজ নিজ পরিবার ও বন্ধুবান্ধবসহ সদলবলে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংস্কৃতিক কেন্দ্রের সিনিয়র সহসভাপতি রশিদ আহমদ ফেরদাউস, সহসভাপতি শাঈখ মুহাম্মদ উছমান গনি, সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহমদ সুহাইল, মুহাম্মদ বদরুজ্জামান, মাওলানা আফজাল হোসাইন, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, আনাস রওশন, ইয়াসিন হায়দার, মাইনুদ্দিন ওয়াদুদ, হাসিব আর রহমান, রায়হানুল কাবির, হাকীম আজহারুল ইসলাম নো’মানী, আব্দুল হান্নান প্রমুখ
