জ্বালানি সংকটে সরকারের ব্যর্থতার বোঝা শিক্ষার্থীদের ওপর কেন: ডাকসু ভিপি

 

কেন সাদিক কায়েমকে ডাকসু ভিপি হিসেবে বেছে নিলেন শিক্ষার্থীরা

সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্তকে নীতিনির্ধারকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম। তার অভিযোগ, জ্বালানি সংকটে সরকারের ব্যর্থতার চাপ শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, “জ্বালানি সংকটে সরকারের ব্যর্থতার দায় কেন শিক্ষার্থীদের নিতে হবে? সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে নীতিনির্ধারকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা দেখেছি, দীর্ঘদিন অনলাইন কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনায় অনাগ্রহ, অতিরিক্ত ডিভাইস নির্ভরতা, একাকীত্ব এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি করেছে। একই পথে আবার হাঁটা মানে সচেতনভাবেই একটি প্রজন্মকে ঝুঁকির দিকে ঠেলে দেওয়া এবং ইতোমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়া শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও অকার্যকর করে ফেলা।”

ডাকসু ভিপি বলেন, “জ্বালানি সাশ্রয়ের নামে ক্লাসরুমের প্রাণচাঞ্চল্য বন্ধ করে দেওয়ার মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত পরিহার করা উচিত। শিক্ষার সঙ্গে আপস করা মানে জাতির ভবিষ্যৎকে সংকটে ফেলা। এর নেতিবাচক প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও দীর্ঘমেয়াদে জাতিকে বড় ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “জ্বালানি সাশ্রয়ের বিকল্প পথ খুঁজুন। নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতার দায় শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবেন না।”