এ বছরের রোজা ২৯ নাকি ৩০—জানুন সম্ভাবনা

রমজান সওয়াব অর্জনের ভরা বসন্ত। ছবি: সংগৃহীত

রমজান সওয়াব অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়। এটি ইবাদত, রহমত ও মাগফিরাতের মাস হিসেবে মুসলিম সমাজে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ পবিত্র মাসকে ঘিরে নানা ফজিলত ও বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান শুরুর তারিখে সামান্য ভিন্নতা দেখা যেতে পারে—কোথাও ১৮ ফেব্রুয়ারি, আবার কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে। তবে জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রমজানের শেষ ও শাওয়াল মাসের শুরু অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের তারিখ অধিকাংশ মুসলিম দেশে একই দিনে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আমিরাত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান এবং আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সায়েন্সেসের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, রমজানের শুরুতে কিছুটা মতভেদ থাকলেও মাসের শেষ দিকে সেই পার্থক্য থাকবে না। তার মতে, অধিকাংশ দেশে রমজান শেষ হতে পারে ১৯ মার্চ এবং ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ২০ মার্চ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দৈনিক এমারাত আল ইউম-কে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী এ বছর রমজান ২৯ দিনের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সব দিক বিবেচনায় রমজান শুরু হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য দিন বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি।

তিনি আরও জানান, রমজানের নতুন চাঁদ জন্ম নেবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ১ মিনিটে (আমিরাত সময়)। তবে সেদিন সূর্যাস্তের মাত্র এক মিনিট পরই চাঁদ অস্ত যাবে, তখন চাঁদের বয়স হবে প্রায় ২ ঘণ্টা ১২ মিনিট—যা খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব। তাই ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার সম্ভাবনাই বেশি, সে অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের প্রথম দিন শুরু হতে পারে।
সূত্র: গালফ নিউজ।