ইরানে মার্কিন হামলার সমর্থনে সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন বৈঠক

image 9

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান সম্প্রতি ওয়াশিংটনে এক গোপন বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছেন, যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যদি ইরানে সামরিক হামলা থেকে বিরত থাকেন, তবে তেহরান সরকার আরও শক্তিশালী ও সাহসী হয়ে উঠবে। এই খবরটি প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

বৈঠকে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইরানে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে স্পষ্ট কৌশল ও লক্ষ্য নির্ধারণ করা জরুরি। পরিকল্পনা ছাড়া হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও ভয়াবহ করতে পারে। এটি সৌদি আরবের ইরান নীতি পূর্বের তুলনায় কিছুটা পরিবর্তিত অবস্থানকে নির্দেশ করছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র-তেহরান উত্তেজনার সময় সৌদি আরব তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছিল।

একই দিনে উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “যদি হামলা না হয়, তেহরান আরও শক্তিশালী হবে। হামলা করলে তা ‘খারাপ পরিণতি’ ডেকে আনতে পারে।”

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে জানিয়েছেন, সৌদি আকাশসীমা মার্কিন হামলার জন্য ব্যবহার করা হবে না এবং তারা কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই অবস্থান রাখছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের সতর্ক অবস্থান সম্ভবত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে সম্ভাব্য হামলার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিতে প্রভাবিত করেছে।

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক সম্পদ জোরদার করেছে এবং আশা করছে তেহরান এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে যা গ্রহণযোগ্য। হামলা না হলে ইরান আরও শক্তিশালী হতে পারে, এমন মন্তব্যের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, “কেউ কেউ এটা মনে করতে পারে, আবার কেউ কেউ মনে করে না।”

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল