সরকারি কর্মীদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নির্দেশ

image 229

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে কোনো পক্ষ নিতে পারবেন না

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংযুক্ত গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোনো পক্ষ গ্রহণ করতে পারবেন না। তারা যদি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ পক্ষে প্রচার চালান, তা হবে দণ্ডনীয় অপরাধ

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, শুধুমাত্র ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং, প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররাই নয়, বরং যেকোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা গণভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আইন অনুসারে সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটের হ্যাঁ-না প্রচার চালাতে পারবেন না। তবে ভোট সংক্রান্ত তথ্য ও সচেতনতামূলক প্রচারণা দেওয়া অনুমোদিত। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেছেন, উপদেষ্টারা সরকারি চাকুরে নয়, তাই তারা নিজস্ব উদ্যোগে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে পারেন।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা ভোটারদের সচেতন করতে পারবেন, কিন্তু কোনো পক্ষের হয়ে প্রচার চালাতে পারবেন না। এই বিধি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এবং গণভোট অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী প্রযোজ্য। আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দণ্ডনীয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন, যার মধ্যে এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

নির্বাচন কমিশন থেকে এখনো পৃথক কোনো পরিপত্র জারি হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইনগত নির্দেশনা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, আইন অনুসারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্ব বা প্রচারণায় যুক্ত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।