
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া তাসনিম জারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহার করেই নির্বাচনী ব্যয় পরিচালনা করবেন।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, জনসাধারণের কাছ থেকে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’য়ের মাধ্যমে মোট ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছেন, যা নির্বাচনী খরচে ব্যয় করা হবে। দাতাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও হলফনামায় স্পষ্ট করা হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগকারী তাসনিম জারা ২২ ডিসেম্বর ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে নির্বাচনী তহবিল গঠনের জন্য অনুদানের আহ্বান জানান। ঘোষণার মাত্র ২৯ ঘণ্টার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংকের মাধ্যমে পুরো অর্থ তার অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য তিনি তার নিজস্ব ব্যাংক আমানত ও অন্যান্য আয় থেকে ২৩ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড ব্যবহার করবেন।
তাসনিম জারা আয় বিবরণীতে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে চিকিৎসক হিসেবে তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা। এছাড়া বিদেশি আয় হিসেবে ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ লাখ ২৭ হাজার টাকা) দেখানো হয়েছে। সব মিলিয়ে তার মোট বার্ষিক আয় দাঁড়ায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৫৯৭ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের হিসাবে তার মোট সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ২২ লাখ ৩০ হাজার ১৯০ টাকা। তবে স্থাবর সম্পদ তার নামে নেই।
অন্যদিকে, হলফনামায় তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর বার্ষিক বিদেশি আয় হিসেবে ৩৯ হাজার ৮০০ ব্রিটিশ পাউন্ড উল্লেখ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৫ লাখ ৫ হাজার টাকা।