
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভবঘুরে ও অনিবন্ধিত ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডাকসু ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ওই উচ্ছেদ অভিযানের পর বিকেলে হকারদের বিক্ষোভ মিছিল হয়, যেখানে কিছু বামপন্থী ছাত্র সংগঠনও অংশ নেয়।
পরে একই এলাকায় আবারও কিছু অবৈধ দোকান বসানো হলে ডাকসুর প্রতিনিধিরা সেগুলো উচ্ছেদ করেন। এই ঘটনার পর বামপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘শিক্ষক নেটওয়ার্ক’-এর নেত্রী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “ডাকসুর গঠনতন্ত্র কোথায় পাওয়া যাবে?”— এবং অভিযোগ করেন, “ডাকসুর নামে কি কোনো অন্যায় কর্মকাণ্ড চলছে?”
অধ্যাপকের ওই মন্তব্যের জবাবে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ফেসবুকে পাল্টা পোস্ট দেন।
তিনি লিখেন, “যদি শিক্ষক নেটওয়ার্কের কোনো গঠনতন্ত্র থাকে, তাহলে সেটি দেখতে চাই। সেখানে কোথায় লেখা আছে যে ক্যাম্পাসে গাঁজা দোকান, মাদক, ভবঘুরে ও অনিবন্ধিত বহিরাগতদের আশ্রয় দিতে হবে?”
মুসাদ্দিক আরও উল্লেখ করেন, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা ও অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা এবং কর্মচারীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।
চাও কি আমি এখন এর জন্য ৩–৪টি সংবাদমাধ্যম উপযোগী শিরোনাম সাজিয়ে দিই?