
নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল হয়নি, তবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আপাতত দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তার এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
এ প্রসঙ্গে এক টক শোতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, বক্তব্যের অংশবিশেষ টেনে বিশ্লেষণ করলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। পূর্ণ প্রেক্ষাপটে দেখলে বোঝা যায়, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের বিষয়ে সরাসরি কোনো অবস্থান নেননি।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, আওয়ামী লীগকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে কিছু ব্যক্তিগত মামলা চলমান রয়েছে। তবে নতুন আইনে দল হিসেবে বিচারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অভিযোগ দাখিল থেকে শুরু করে তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠনের পরই আদালতে মামলার কার্যক্রম শুরু হবে। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এখনো সেই ধাপে পৌঁছায়নি।
শিশির মনির বলেন, বর্তমানে সাধারণ মামলাগুলোতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। অক্টোবরের মধ্যেই একটি মামলার রায় আসতে পারে, তবে ফল কী হবে তা এখনো অনিশ্চিত।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দলের নিবন্ধন ও প্রতীক স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ আপাতত ভোটে অংশ নিতে পারবে না। তবে সরকার চাইলে নির্বাহী আদেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পারে। আবার রিভিউ প্যানেল যদি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে, তাহলেও দল নির্বাচনী মাঠে ফিরতে পারবে।