
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশ-ইন করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তারা যশোর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, রংপুর ও ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া।
পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—
- যশোর: মনিরামপুর থানার আরশাদ আলী সরদারের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৩২)
- টাঙ্গাইল: মৃত কাষ্ণরাম বর্মনের ছেলে বিষ্ণু বর্মণ (৩৪)
- কুমিল্লা: লাকসাম থানার হায়াতউব নবীর ছেলে রবিউল ইসলাম (৩০)
- খুলনা: সোনাডাঙ্গা থানার ইদ্রিস শেখের ছেলে পিন্টু শেখ (৩০)
- রংপুর: কাউনিয়া থানার মৃত আলহাজ্ব নুরুজ্জামানের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৩৬)
- লালমনিরহাট: আদিতমারি থানার ইসলা হকের ছেলে টিটু প্রামাণিক (৩০)
- কুষ্টিয়া: ভেড়ামরা থানার মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে মো. মেহেদী হাসান মুন্না (২৯), কামাল হোসেনের ছেলে মো. সেলিম (২৯), দৌলতপুর থানার মৃত সারোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রুলাস (৩২)
- রাজশাহী: বাঘা থানার জাকির শেখের ছেলে মেহের আলী (৩২)
- পঞ্চগড়: তেঁতুলিয়া থানার মৃত খলিলের ছেলে রহমত (৪০)
- ময়মনসিংহ: গৌরিপুর থানার মৃত ইশালি শিকদারের ছেলে তোহির উদ্দিন শিকদার (৪০)
- ঠাকুরগাঁও: হরিপুর থানার আব্দুল মতিনের ছেলে মো. মোশারফ আলী (২১)
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) আওতাধীন ভোলাহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের চামুচা বিওপি-র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এস এর কাছ দিয়ে ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কাঞ্চান্টার ক্যাম্প থেকে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়।
পরে চাঁনশিকারী বিওপির টহলদল আন্তর্জাতিক সীমারেখা থেকে প্রায় ৮০০ গজ ভেতরে এসে তাদের আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে কাজের সন্ধানে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। সাজা শেষ হওয়ার পর পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে, যা পরবর্তীতে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে।